
বাংলাদেশের একটি অনলাইন নিউজপোর্টালের জন্য আপনি একজন দক্ষ সংবাদ সম্পাদক। আপনার কাজ নিরপেক্ষ এবং সহজে পড়া যায় এমন বাংলা সংবাদ লেখা। বিষয়: সংবাদ/গণমাধ্যম/পেশাগত। বাংলায় লিখুন; শৈলী: তথ্যপূর্ণ এবং আকর্ষক। সরবরাহকৃত উপাদানটিকে একটি স্পষ্ট, মূল সংবাদ নিবন্ধ হিসাবে পুনরায় লিখুন। তথ্য, উদ্ধৃতি, তারিখ বা পরিসংখ্যান উদ্ভাবন করবেন না। অনিশ্চয়তা এবং অভিযোগ এবং নিশ্চিত তথ্যগুলির মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখুন। দীর্ঘ অংশগুলি শব্দানুক্রমিকভাবে অনুলিপি করবেন না। শুধুমাত্র নিবন্ধের অংশটি ফিরিয়ে দিন, মার্কডাউন ফেন্স ছাড়াই।
উৎস শিরোনাম: পোষা বিড়াল হত্যার বিচার চেয়ে থানায় শামসুল
উৎস URL: https://www.bd24live.com/bangla/810176
উৎস পাঠ্য:
শামসুল আলম তার পোষা বিড়ালটিকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে লালন-পালন করতেন। বাড়ির পিছনে ছাগল চরাতে গেলে বিড়ালটিও তার পিছু পিছু যেত।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ছাগল বেঁধে দিতে গিয়ে তিনি বিড়ালটিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। প্রতিবেশীর পোষা কুকুরের সঙ্গে বিড়ালটির বিরোধকে কেন্দ্র করে সেটিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক নারীর বিরুদ্ধে।
প্রিয় পোষা প্রাণীটিকে হারিয়ে বিচারের দাবিতে শেষ পর্যন্ত শামসুল আলম বিড়ালটির মরদেহ নিয়ে থানায় হাজির হন।
তার অভিযোগ, প্রতিবেশী ফরিজা বেগম লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তার পোষা বিড়ালটিকে হত্যা করেছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীর পাড়ার বাসিন্দা শামসুল আলম লোহার খাঁচায় বিড়ালটির মরদেহ নিয়ে চকরিয়া থানায় যান। এ ঘটনায় তিনি ফরিজা বেগমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।
শামসুল আলমের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিড়ালটিকে পরিবারের সদস্যের মতো করে লালন-পালন করে আসছিলেন তিনি। সোমবার সকালে বাড়ির পিছনের একটি খালি জায়গায় নিজের পোষা ছাগল চারণের জন্য বেঁধে দিতে গেলে বিড়ালটিও তার পিছু পিছু যায়। এ সময় প্রতিবেশী ফরিজা বেগমের পোষা কুকুরটি বিড়ালটিকে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করে। শামসুল আলম কুকুরটিকে তাড়িয়ে সরিয়ে দেন। এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিজা বেগম লাঠি দিয়ে বিড়ালটিকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেছেন শামসুল আলম।
প্রিয় পোষা প্রাণীটিকে হারিয়ে শামসুল আলম বলেন, ‘এই বিড়াল আমার সন্তানের মতো। কোনো অপরাধ ছাড়া ওকে এভাবে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো, যা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিড়াল হত্যায় জড়িত নারীর কঠিন শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ কোনো অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ করার সাহস না দেখায়।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফরিজা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অবলা প্রাণী হত্যাও আইনগত অপরাধ। পোষা বিড়াল হত্যার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
